চীনের যুদ্ধবিমান নিয়ে সরব তাইওয়ান

মঙ্গলবার চীনের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিলেন তাইওয়ানের রাষ্ট্রপ্রধান সু সেং-চ্যাং। অভিযোগ, তাইওয়ানের শান্তি নষ্ট করতে চীনের যুদ্ধবিমান তাইওয়ানের এয়ার ডিফেন্স জোনে ঢুকে পড়ছে। যার ফলে তাইওয়ানকে সর্বক্ষণ সতর্ক বার্তা জারি রাখতে হচ্ছে। তাইওয়ানের এই অভিযোগের পর মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করেছেন।

তাইওয়ানের অভিযোগ, সোমবার ৫৬টি চীনের ফাইটার বিমান তাদের এয়ার ডিফেন্স জোনে ঢুকে পড়ে। গত সেপ্টেম্বর থেকেই বার বার চীন এই ধরনের কাজ করছে বলে তাইওয়ানের অভিযোগ। তবে সোমবার সবচেয়ে বেশি বিমান তাইওয়ানে ঢুকে পড়ে বলে অভিযোগ।

সু সেং-চ্যাংয়ের বক্তব্য, গোটা বিশ্ব দেখতে পাচ্ছে, চীন কীভাবে তাইওয়ানের শান্তি বিঘ্নিত করছে। এরপর এমন হলে তাইওয়ান জবাব দিতে বাধ্য হবে। স্বাধীন তাইওয়ান দ্বীপ চীন দখল করার চেষ্টা করলে গোটা বিশ্বে তার পরিণাম কী হবে, তা সকলেই জানে। চীনেরও তা মনে রাখা উচিত।

তাইওয়ানের এই অভিযোগের সঙ্গে সঙ্গে দেশটির পাশে থাকার কথা জানিয়ে দিয়েছে ওয়াশিংটন। এক বিবৃতিতে আমেরিকা জানিয়েছে, দক্ষিণ চীন সাগরে চীন যেভাবে শান্তি নষ্ট করছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। তাইওয়ানকে সবরকমভাবে সাহায্য করা হবে। বস্তুত, তাইওয়ানকে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র দেয় আমেরিকা।

জাপানও জানিয়েছে, পুরো পরিস্থিতির উপর তারা নজর রাখছে। তাইওয়ানের যাতে কোনো ক্ষতি না হয়, তা তারা দেখছে। ফ্রান্স জানিয়েছে, এই সপ্তাহেই তারা একটি প্রতিনিধি দল তাইওয়ানে পাঠাবে।

মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, তাইওয়ান নিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। দুইজনেই তাইওয়ান চুক্তি মেনে চলার কথা বলেছেন। ফলে তিনি মনে করেন না, চীন সেই চুক্তি লঙ্ঘন করবে। তবে চীন তা লঙ্ঘন করলে আমেরিকাও যে চুপ করে বসে থাকবে না, তা কার্যত স্পষ্ট করে দিয়েছেন জো বাইডেন।

চীনের ‘ওয়ান চীন’ নীতির বিষয়ে বাইডেনের মন্তব্য, ‘চীনের ওই নীতি তাইপেই গ্রহণযোগ্য মনে করে বলে তিনি মনে করেন না।’ বাইডেনের কথায় স্পষ্ট, তাইওয়ানকে সমর্থন দিচ্ছে ওয়াশিংটন। সূত্র: ডিডাব্লিউ, রয়টার্স, এপি, এএফপি

 

অর্থসূচক/এএইচআর

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •