কুমিল্লা-৭ আসনে প্রাণ গোপাল দত্তকে বিজয়ী ঘোষণা

কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রাণ গোপাল দত্ত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তাকে বিজয়ী ঘোষণা করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

আজ সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কুমিল্লার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. দুলাল তালুকদার ওই বিজ্ঞপ্তি জারি করেন।

তিনি জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিন ছিল। শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ডা. প্রাণ গোপাল দত্তের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) মনিরুল ইসলাম তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। ফলে ওই আসনে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রাণ গোপাল দত্তই ছিলেন। যে কারণে একক প্রার্থী হিসেবে তার নাম চূড়ান্ত করা হয়।

আর যেহেতু একজন প্রার্থী, তাই আর মার্কা দেওয়ার কোনো বিধান নেই। এ অবস্থায় প্রাণ গোপাল দত্তকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এখন গেজেট প্রকাশ করার জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠানো হবে বলে জানান দুলাল তালুকদার।

অধ্যাপক মো. আলী আশরাফের মৃত্যুতে কুমিল্লা-৭ আসনটি শূন্য হয়। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৭ অক্টোবর এই আসনের উপনির্বাচনে ভোট হওয়ার কথা ছিল। তবে একক প্রার্থী হিসেবে প্রাণ গোপাল দত্তকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করায় ভোটের আর প্রয়োজন হচ্ছে না।

প্রাণ গোপাল দত্ত ১৯৫৩ সালের ১ অক্টোবর চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি চান্দিনা পাইলট উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ১৯৭০ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি ও পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও প্রচার সম্পাদক ছিলেন। এরপর তিনি বিদেশ থেকে চিকিৎসাশাস্ত্রে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ২০০৯ সাল থেকে টানা দুই মেয়াদে (৮ বছর) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন। ২০১২ সালে তিনি স্বাধীনতা পদক পান। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু দলীয় মনোনয়ন পাননি। প্রাণ গোপাল দত্ত বর্তমানে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি।

অর্থসূচক/কেএসআর

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •