চন্দ্রিমায় জিয়ার লাশ থাকার কোনও প্রমাণ কোথাও নেই: তথ্যমন্ত্রী

রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের লাশ থাকার কোনও প্রমাণ কোথাও নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

সংসদে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্য সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যথার্থই বলেছেন, জিয়ার লাশ কেউ দেখেননি।

আজ শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীতে সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, আমি রাঙ্গুনিয়ার মানুষ, যেখানে জিয়াকে প্রথম সমাহিত করা হয় বলে বিএনপি দাবি করে। রাঙ্গুনিয়া উপজেলার তখনকার চেয়ারম্যান জহির সাহেব এখনও জীবিত। তিনি বলেছেন, তিনটি লাশ সেখান থেকে তোলা হয়েছিল, তার মধ্যে জিয়াউর রহমানের লাশ ছিল না। এরশাদ সাহেব এবং জিয়াউর রহমানের ঘনিষ্ঠজন মীর শওকত দুজনেই বলেছেন, তারা কেউ জিয়ার লাশ দেখেননি।

চন্দ্রিমা থেকে কবরটি সরিয়ে ফেলার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, লাশ ছাড়া কবর দাবি করা যেমন জনগণের সঙ্গে প্রতারণা, তেমনি ইসলামের নিয়ম-নীতি বিরুদ্ধ। লাশ ছাড়া কবর রাখার কোনও কারণ আছে কিনা, সেটিই জনগণের প্রশ্ন।

এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্য ‘আওয়ামী লীগ চিরস্থায়ী ক্ষমতার জন্য বিএনপির ওপর নির্যাতন করছে’- এর জবাবে ড. হাছান বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের ক্ষমতায় বিশ্বাসী, জনগণ যতদিন চাইবে ততদিন আওয়ামী লীগ দেশ পরিচালনা করবে, এর একদিনও বেশি নয়।

তিনি বলেন, গত ১৩ বছরে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যেভাবে দেশ এগিয়েছে, প্রতিটি নাগরিকের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়েছে; তাতে মানুষ বঙ্গবন্ধু কন্যা ও আওয়ামী লীগের ওপর সন্তুষ্ট।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, পেট্রোলবোমা দিয়ে জীবন্ত, ঘুমন্ত মানুষ পুড়িয়ে হত্যাকারী; অবরোধের নামে মানুষকে অবরুদ্ধকারী বিএনপির সঙ্গে তো জনগণের থাকার কথা নয়। বিএনপি নিজেরাই জনগণের প্রতিপক্ষ হয়ে নানা কর্মসূচি দিয়ে তাদের কাছ থেকে অনেক দূরে সরে গেছে।

বিরোধী দল দমনেও আওয়ামী লীগ বিশ্বাসী নয় উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, সন্ত্রাসী, পেট্রোলবোমা নিক্ষেপকারী বা ফৌজদারি অপরাধের আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে যদি বিএনপি অপরাধীদের পক্ষ নেয়, তাহলে তো দেশে কোনও ফৌজদারি আইনই কার্যকর করা যাবে না; বিচারও থাকবে না। সুতরাং বিএনপির এসব কথা হাস্যকর।

অর্থসূচক/কেএসআর

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •