সিপিএল চ্যাম্পিয়ন গেইলের সেন্ট কিটস

১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ক্রিস গেইল ও এভিন লুইস সাজঘরে ফেরেন দ্রুতই। দলের বড় দুই তারকা ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে না পারলে সম্ভাবনা ক্ষীণ হতে থাকে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টসের প্রথম শিরোপা জয়ের। ওয়ার্নার পার্কে গেইল-লুইসদের ব্যর্থতার দিনে ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠেন ডমিনিক ড্রেকস।

মুলত বোলার হলেও ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) ব্যাট হাতে নিজের সবটা নিংড়ে দিলেন তিনি। শেষ বলের রোমাঞ্চে সেন্ট লুসিয়াকে ৩ উইকেটে হারিয়ে সেন্ট কিটসকে প্রথমবারের মতো শিরোপার জেতান বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। সেন্ট কিটসের শিরোপা জয়ের নায়ক ড্রেকস অপরাজিত ছিলেন ২৪ বলে ৪৮ রানের ইনিংস খেলে।

সেন্ট কিটসের ওয়ার্নার পার্কে জয়ের জন্য ১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই সাজঘরে ফেরেন গেইল। রোস্টন চেজের জোরের উপর করা বলে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটেন তিনি। গেল দুই ম্যাচে ১৯ ছক্কা মারা আরেক ওপেনার লুইসও ফেরেন দ্রুতই। এদিন আউট হয়েছেন মোটে ৬ রান করে।

এরপর জশুয়া ডি সিলভা ৩২ বলে ৩৭ এবং শেরফান রাদারফোর্ড ২২ বলে ২৫ রান করলেও জয়েল জন্য যথেষ্ট ছিল না। তাতে শেষ ৬ ওভারে দলের প্রয়োজন হয় ৬৫ রান। সেই সময় ব্যাট হাতে জ্বলে উঠেন ড্রেকস। প্রতি ওভারে ১০ কিংবা ১২ রান করে এনে দলকে জয়ের কক্ষপথে রাখেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।

ম্যাচ জিততে শেষ ওভারে দরকার ছিল ৯ রান। বোলিংয়ে এসে প্রথম ৪ বলে ৪ রান দেন কেসরিক উইলিয়ামস। ডানহাতি এই পেসারের পঞ্চম বলে এক্সট্রা কাভার দিয়ে চার মারেন ড্রেকস। তাতে শেষ বলে প্রয়োজন হয় মাত্র ১ রানের। দারুণ এক ইয়র্কার ডেলিভারি করলেও সেটা ঠেকিয়ে অনায়াসে এক রান নিয়ে দলকে শিরোপা জয়ের আনন্দে ভাসান ড্রেকস।

এদিকে নিজের ৫০০তম টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমে ১৫তম টি-টোয়েন্টির শিরোপার স্বাদ নেন অধিনায়ক ডোয়াইন ব্রাভো। সেন্ট লুসিয়া কিংসের হয়ে ওয়াহাব রিয়াজ দুটি উইকেট নিয়েছেন। এ ছাড়া আলজারি জোসেফ, চেজ, ডেভিড ভিসে এবং কেসরিক নিয়েছেন একটি করে উইকেট।

এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান করে সেন্ট লুসিয়া কিংস। দলটির হয়ে যৌথভাবে ৪৩ রান আসে রাকিম কর্নওয়াল ও চেজের ব্যাট থেকে। এ ছাড়া কিমো পল খেলেছেন ২১ বলে ৩৯ রানের ইনিংস। ব্যাটে-বলে দারুণ পারফর্ম করে টুর্নামেন্ট সেরা হয়েছেন চেজ।

অর্থসূচক/এএইচআর

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •