ক্রিকেটকে বিদায় বললেন মালিঙ্গা

দুর্দান্ত সব ইয়র্কার এবং নিখুঁত স্লোয়ারে বরাবরই ব্যাটসম্যানদের কুপোকাত করেছেন লাসিথ মালিঙ্গা। নতুন বা পুরোনা বলে, ইনিংসের শুরুতে, মাঝে কিংবা শেষে সবসময়ই অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দেয়ার সঙ্গে দলকে ব্রেুক থ্রু এনে দিয়েছেন অভিজ্ঞ এই পেসার। ১৭ বছরের ক্যারিয়ারে পুরো বিশ্ব দাপিয়ে বেড়িয়েছেন ৩৮ বছর বয়সি এই পেসার।

ওয়ানডে ও টেস্ট থেকে অবসর নিয়েছেন অনেক আগেই। কদিন আগে বিদায় বলেছেন ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটকেও। অপেক্ষা ছিল কেবলই টি-টোয়েন্টি থেকে বিদায় বলার। অবশেষে ৩৮ বছর বয়সে এসে সবধরনের ক্রিকেটকেই বিদায় বললেন মালিঙ্গা। এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি নিজেই।

টি-টোয়েন্টিতে অবসর না নিলেও গেল বছরের মার্চের পর আর কোনো ম্যাচ খেলা হয়নি মালিঙ্গার। বছর খানেক ধরে দলের বাইরে থাকলেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে গুঞ্জন উঠেছিল আবারও শ্রীলঙ্কার দলে ফিরছেন তিনি। কদিন আগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করলেও সেখানে জায়গা হয়নি ডানহাতি এই পেসারের।

লঙ্কানদের বিশ্বকাপ দল ঘোষণার কদিন পর অবশ্য সবধরনের ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিলেন মালিঙ্গা। এ প্রসঙ্গে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমি আমার টি-টোয়েন্টির জুতো জোড়াও খুলে রাখছি এবং সবধরনের ক্রিকেটকে বিদায় বলছি। ধন্যবাদ সবাইকে যারা আমার ক্যারিয়ারের যাত্রায় সাহায্য করেছেন এবং আশা করছি ভবিষ্যতের তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য আমি আমার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে পারবো সামনের বছরগুলোতে।’

২০০৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টেস্টে অভিষেক হয় মালিঙ্গার। এরপর সাদা পোশাকের ক্রিকেটে লঙ্কানদের হয়ে খেলেছেন ৩০ ম্যাচ। যেখানে ৩৩.১৫ গড়ে নিয়েছেন ১০১ উইকেট। ক্যারিয়ারে তিনবার ৫ উইকেট এবং সাতবার নিয়েছেন চারটি করে উইকেট। টেস্টের পর সেই বছরই ওয়ানডেতে অভিষেক হয় ৩৮ বছর বয়সি এই পেসারের। ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন এই রঙিন পোশাকেই। ২২৬ ম্যাচ খেলা মালিঙ্গা উইকেট নিয়েছেন ৩৩৮টি। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে আটবার ৫ উইকেট নিয়েছেন তিনি।

ওয়ানডে ও টেস্ট অভিষেকর বছর দুয়েক পরে অর্থাৎ ২০০৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয় মালিঙ্গার। যেখানে ৮৪ ম্যাচ খেলে নিয়েছেন ১০৭ উইকেট। যা টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি উইকেট। জাতীয় দলের হয়ে খেলা ছাড়াও আইপিএল, বিপিএল, সিপিএল, বিগ ব্যাশ ও টি-টেনের মতো টুর্নামেন্টে খেলেছেন মালিঙ্গা।

অর্থসূচক/এএইচআর

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •