মরণোত্তর চক্ষুদানের প্রতিশ্রুতি মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রীর

মরণোত্তর চক্ষুদান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ও সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি আয়োজিত মরণোত্তর চক্ষুদান বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।

মোজাম্মেল হক বলেন, আমি আমার মৃত্যুর পর চক্ষুদান করতে চাই। মৃত্যুর পর আমার চোখ যদি কারও কাজে আসে, তাহলে আমি খুশি হব। চক্ষুদানের মাধ্যমে অন্য কোনো ব্যক্তি দৃষ্টি শক্তি পেলে মানুষ মরেও বেঁচে থাকতে পারে। এটা সোয়াবের কাজ, ভালো কাজ এবং পূণ্যের কাজ। আমার মৃত্যুর পর চোখ কারও কাজে লাগলে ভালো লাগবে। এ চক্ষুদানকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে পারলে অনেক মানুষের উপকার হবে।

মন্ত্রী বলেন, শহরের মানুষের মধ্যে অপেক্ষাকৃত মানবিকতা কম। সব কাজই নিজের স্বার্থের কথা চিন্তা করে। অন্যদিকে গ্রামের মানুষ উদার। অন্যের জন্য কিছু করার চেষ্টা করে। তাই মরণোত্তর চক্ষুদান আন্দোলন উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছাতে পারলে ভালো সুফল পাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতা নিয়ে কর্নিয়া সংগ্রহ করা গেলে অনেক মানুষ পৃথিবীর আলো দেখতে পারবে।

অনুষ্ঠানে সাবেক সেনাপ্রধান লে. জে. (অব.) হারুন-অর-রশিদ, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ বরেন চক্রবর্তী, নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ আমিনুল ইসলাম লিটু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন৷

উল্লেখ্য, দেশে ৫ লক্ষাধিক মানুষ কর্ণিয়াজনিত অন্ধত্ববরণ করেছে। কিন্তু বছরে ৫০টির বেশি কর্ণিয়া সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। প্রতিবছর নতুন করে ৪০ হাজার মানুষ কর্ণিয়াজনিত অন্ধত্বের শিকার হচ্ছে।

 

অর্থসূচক/এএইচআর

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •