মেয়ের সামনে যুবলীগ নেতাকে পেটালেন আওয়ামী নেতা

মেয়ের সামনে কুমিল্লার হোমনা উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল সরকারকে (মেম্বার) মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম সিদ্দিকুর রহমান আবুলের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ মঙ্গলবার (০৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা যুবলীগ।

মঙ্গলবার ১২টার দিকে স্থানীয় সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন শেষে অফিসের সামনে মানববন্ধন করা হয়। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে থানার সামনে গিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল সরকার জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে তার মেয়েদের অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে স্কুলে যাচ্ছিলেন। তার মেয়েদের সামনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম সিদ্দিকুর রহমান আবুল ও তার ভাই ইউপি চেয়ারম্যান নাজিরুল হক ভূঁইয়া লোকজন নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। মেয়েদের সামনে তাকে মারধর করেন। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি খন্দকার নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক কায়সার আহম্মেদ বেপারী, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মেহেদী হাসান, মো. জয়নাল আবেদীন প্রমুখ।

এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মো. মহাসিন সরকার, পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিনুজ্জামান খোকন, মহিউদ্দিন খন্দকার, যুগ্ম সম্পাদক গাজী ইলিয়াছসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হোমনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম সিদ্দিকুর রহমান আবুল বলেন, মাইনুল মেম্বার আমার ছোটভাইয়ের পরিষদের মেম্বার। তাকে মারধর করার প্রশ্নই আসে না। আমাকে সবাই চিনে, আমার হাতেগড়া দলের কর্মীকে শাসন করতে পারি কিন্তু মারধর করতে পারি না। শুনেছি আবুল কালামের সঙ্গে পাওনা টাকা নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়েছে।

তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচনের পর থেকে একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে কাজ করছে। সামনে ইউপি নির্বাচন ও কমিটি গঠন নিয়ে একটি মহল রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের লক্ষ্যে তাকে ব্যবহার করার অপচেষ্টা করছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।
এ ব্যাপারে হোমনা থানার ওসি আবুল কায়েস আকন্দ বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অর্থসূচক/কেএসআর

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •